
বাংলার কাঠঠোকরা _ The Bengal Woodpecker _ 2021 _ _Beautiful Birds in Bangladesh_
বাংলার কাঠঠোকরা | The Bengal Woodpecker | 2021 | ***Beautiful Birds in Bangladesh***
ক্রমাগত ঠোকরানো স্বভাবের কারণেই নাম বুঝি তার কাঠঠোকরা! শহুরে কোলাহলে তেমন শোনা না গেলেও গ্রামের অলস দুপুরে কাঠঠোকরার ডাক আর অবিশ্রান্ত ঠক ঠক শব্দ শোনে নি, এমন লোক কিন্তু খুঁজে পাওয়া ভার। বর্ণিল দেহ, লম্বা ও শক্ত ঠোঁট আর পায়ের বিশেষ গড়ন, পাখিটিকে দিয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। আশ্চর্য হতে হয় এদের ঠোকর দেয়ার গতি দেখেও! শক্ত গাছের গায়ে মিনিটে ১০০ বারেরও বেশি এবং দিনে প্রায় ১০,০০০ বারেরও বেশি বার ঠোকর দেয়ার ক্ষমতা রাখে এই পাখিটি।
তবে সর্বশক্তি দিয়ে গাছের গায়ে আঘাত করা স্বত্ত্বেও কাঠঠোকরার মস্তিষ্ক কিন্তু কোনভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয় না। ঘাড়ের শক্ত পেশি, নমনীয় মেরুদন্ডসহ তাদের ঠোঁটে আছে বিশেষ ধরণের কম্পন শোষনকারী গ্রন্থি, যা কোনো প্রকার আলোড়ন ছাড়াই তাদের অনবরত ঠুকরে যেতে সাহায্য করে।
খাবারের সন্ধান, নিজেদের সীমানা সংরক্ষণ, সঙ্গীকে আকর্ষণ, শত্রুর উপস্থিতি সম্পর্কে সাবধান করে দেয়া আর বিশেষ করে বাসা বানানোর জন্যই চলে তাদের অনবরত ঠকঠক। প্রতিবছর নতুন বাসা তাদের চাই-ই চাই। তবে পুরোনোগুলোও ফেলনা নয়, অন্য পাখিরাও সেগুলো নিজেদের বাসা হিসেবে ব্যবহার করে।
বিশ্বজুড়ে প্রায় ২১৬টিরও বেশি প্রজাতির কাঠঠোকরা দেখতে পাওয়া যায়, তবে বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায় ১৯টি প্রজাতি। এদের মধ্যে লালচে কাঠঠোকরা, বাতাবি কাঠকুড়ালি, বড় হলদে কুড়ালি ও বাংলা কাঠঠোকরারই বেশি চোখে পড়ে এদেশের সবখানে। আরো আছে বড় মেটে কুড়ালির মতো দুর্লভ একটি প্রজাতি যাদের কেবল বনে-জঙ্গলেই দেখা মেলে।
কখনও কখনও ফল ও ফুলের মধু খেয়ে থাকলেও মূলত কীট-পতঙ্গই কাঠঠোকরার অন্যতম খাবার। তবে পোকা ধরে খেতে গিয়ে একই সাথে গাছের চিকিৎসার কাজটিও সেরে ফেলেন এই ডাক্তার সাহেব! পচা বাকল সরিয়ে পোকা, পোকার ডিম, লার্ভা ইত্যাদি খাওয়ার ফলে গাছের বাড়ে সুস্থতা, কমে ক্ষতিকর পোকার অত্যাচার। তাইতো কেউ কেউ অনন্য এই কাঠঠোকরাকে বলেন গাছের ডাক্তার!
To reach us:
Web: http://www.pojf.org
Phone: (+88 02) 9830376-80
E-mail: [email protected]
Facebook: http://www.facebook.com/pojfoundation
Twitter: http://twitter.com/prokritiojibon
#Beautiful_Woodpecker #Prokriti_O_Jibon #Prokriti_Kotha
Comments are disabled for this video.
